Gitikunja ツ Gitikunja ツ
0 87.682768

no images yet

SHARE WITH OTHERS
See new updates

Gitikunja ツ

Latest Updates

সংসারে লিপ্ত না থাকিলে তবেই ভালোরূপে সংসারের কাজ করা যায়। নহিলে চোখে ধুলা লাগে, হৃদয়ে আঘাত লাগে, পায়ে বাধা লাগে। মহৎ লোকেরা আপন আপন মহত্ত্বের উচ্চ শিখরে দাঁড়াইয়া থাকেন, চারি দিকের ছোটোখাটো খুঁটিনাটি অতিক্রম করিয়া তাঁহারা দেখিতে পান। ক্ষুদ্রসকল বৃহৎ হইয়া তাঁহাদিগকে বাধা দিতে পারে না। তাঁহাদের বৃহত্তবশত চতুর্দিক হইতে তাঁহারা বিচ্ছিন্ন আছেন বলিয়াই চতুর্দিকের প্রতি তাঁহাদের প্রকৃত মমতা আছে। যে ব্যক্তি সংসারের আবর্তের মধ্যস্থলে ঘুরিতেছে, সে কেবল আপনার সহিত পরের সম্বন্ধ দেখিতে পায়, কিন্তু মহৎ যে সে আপনার হইতে বিযুক্ত করিয়া পরকে দেখিতে পায়, এইজন্য পরকে সেই বুঝিতে পারে। কাজ সেই করিতে পারে। হাতের শৃঙ্খল সেই ছিঁড়িয়াছে। প্রত্যেক পদক্ষেপে সে ব্যক্তি সহস্র ক্ষুদ্রকে অতিক্রম করিতে না পারে, প্রত্যেক ক্ষুদ্র উঁচু-নিচুতে যাহার পা বাধিয়া যায় সে আর চলিবে কী করিয়া! সংসারের সুখে-দুঃখে যাহারা ভারাক্রান্ত, সংসারপথের প্রত্যেক সূচ্যগ্র ভূমি তাহাদিগকে মাড়াইয়া চলিতে হয়। এইজন্য ঘর হইতে আঙিনা তাহাদের বিদেশ, আপনার সাড়ে তিন হাতের বাহিরে তাহাদের পর। এজন্যে তাহারা দূরদেশের কথা, জগতের বৃহত্ত্বের কথা, সত্যের অসীমত্বের কথা বিশ্বাস করিতে পারে না। আপনার খোলসটির মধ্যে তাহাদের সমস্ত বিশ্বাস বদ্ধ। অসীম জগৎ-সংসারের অপেক্ষা আপনার চারি দিকের বাঁশের বেড়া ও খড়ের চাল তাহাদের নিকট অধিক সত্য।
(RNT).

   Over a month ago
SEND

আমরা যদি নিজের দেহের ক্ষীণতম হৃদয়স্পন্দন, নিঃশ্বাস প্রশ্বাস-পতন, রক্তচলাচলের শব্দ, নখ ও কেশ -বৃদ্ধি, এবং বয়োবৃদ্ধি সহকারে দেহায়তনবৃদ্ধির শব্দটুকুও অনবরত শুনিতে পাইতাম, তবে আমাদের কি দশাই হইত! যখন আমরা প্রাণ খুলিয়া হাসিতেছি তখনো আমাদের হৃদয়ের মর্ম্মস্থলে অতিপ্রচ্ছন্নভাবে বসিয়া যে একটি বিষাদ, একটি অভাব নিঃশ্বাস ফেলিতেছে, তাহা যদি শুনিতে পাইতাম তবে কি আর হাসি বাহির হইত? যখন আমরা দান করিতেছি ও সেই সঙ্গে "নিঃস্বার্থ পরোপকার করিতেছি" মনে করিয়া মনে মনে অতুল আনন্দ উপভোগ করিতেছি, তখন যদি আমরা আমাদের সেই পরোপচিকীর্ষার অতি প্রচ্ছন্ন অন্তর্দেশে যশোলিপ্সা বা আর একটা কোন ক্ষুদ্র স্বার্থপরতার বক্রমূর্ত্তি দেখিতে পাই, তবে কি আর আমরা সেরূপ বিমলানন্দ উপভোগ করিতে পারি?

   Over a month ago
SEND

অধিবর্ষে জন্ম নেওয়া - দেশিকোত্তম রুক্মিণী দেবীকে গীতিকুঞ্জের আভুমিনত প্রনাম !
........................................................................................
কিছু স্মৃতিচারণায় কিংবদন্তী - রুক্মিণী দেবী !

Dance was made a part of the syllabus at Visva Bharati in 1925. For Tagore, dance was the physical extension of poetry and songs or in the language of Utpal K Banerjee, “an expression of the flavour of poetry in a balanced harmony, with its staple of poetic melodies. The Tagore dance style has no technique of its own — it is an expression of emotions through body rhythm”.
The features of Tagore dances may be understood through a glance of the syllabus, which in 1936 was this: The first year would have elementary classes in Manipuri and south Indian dancing. The second year will have Manipuri Tala dances, south Indian Tala dances, training in Bol and symbolic Mundra. The third year will focus on south Indian Kathakali and Ceylonese dance, rendering of Bengali songs to dances, and studies of poses from old paintings and frescos. The fourth year will focus on mimicry and expression, composition, and dramatic interpretation.

It may be interesting to note that in 1936, from among South Indian dancing forms, Kathakali, and not Bharatnatyam, was selected for training. Tagore was not favourably disposed to Bharatnatyam. In the 1920s, at Madras, he had an occasion to see a demonstration of Bharatnatyam — brash vulgarity of the temple dancers (Sevadasis) had put him off. He could see the beauty of this dance form when Rukminidevi Arundale presented a few steps and mudras at Santiniketan in 1941 at the ailing poet’s residence and he confessed that he had harboured a wrong idea of Bharatnatyam all along. He recited shlokas from Malavikagnimitram of Kalidas and said that now he realised why Kalidas was so rapturous about dance.

Source : TAGORE AND DANCE
Sunday, 12 January 2014 | Nityapriya Ghosh

Click Here

   Over a month ago
SEND